









কুষ্টিয়া জেলা কুমারখালির শিলাইদহ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলেজ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
শনিবার (১৪ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে কলেজ পরিদর্শন অনুষ্ঠানে শিক্ষকরা উক্ত কলেজ জাতীয়করনের দাবি জানান। এর আগে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া কুষ্টিয়ায় এক শিক্ষক সমাবেশ শেষে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে কলেজটি পরিদর্শন করেছেন। এসময় এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, বাংলা সাহিত্যের সব ধারাই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখনীতে ছিলো সমৃদ্ধ। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য পায় নতুন রূপ ও মননশীল। যা বয়ে আনে বিশ্ব অঙ্গনে এক বিরল সম্মান। বাংলা সাহিত্যে একমাত্র রবীন্দ্রনাথেরই একটি নিজস্ব অধ্যায় রয়েছে। যে অধ্যায় বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছে এক মহান উচ্চতা। আর তার নামে কলেজটি আজও জাতীয়করণ করা হয়নি,এটা দু:খজনক বলে আখ্যা দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বিগত সময়ে ফ্যাসিস আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে যে কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেছে। কিন্তু বাংলা সাহিত্যেকে যিনি মহান উচ্চতা দিয়েছেন সেই কলেজটি জাতীয়করন করা হয় নি। এটা বৈষম্য ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। তবে আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এই কলেজটি জাতীয়করন করার আহব্বান জানান সেলিম ভূঁইয়া।
এদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কুষ্টিয়া ইসলামীয়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নওয়াব আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার।
অনুষ্ঠানে পরিচালনা করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি কুষ্টিয়ার সভাপতি অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান বাদশা, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট কুষ্টিয়ার সাধারন সম্পাদক হামিদুর রহমান বকুল,
বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সভাপতি অধ্যক্ষ মনজুরুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক উপাধ্যক্ষ সালাউদ্দিন। সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমূখ। সার্বিক কাজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলেজের শরীর চর্চার শিক্ষক মনিরুজ্জামান, সিনিয়র প্রভাষক ব্যবস্থাপনা বিভাগ আলমগীর হোসেন সহ কলেজের সকল শিক্ষক কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।