Logo
আজকের পত্রিকাম্যাগাজিনসোশ্যাল মিডিয়া
হোম
সর্বশেষ
জাতীয়
সারাদেশ
কৃষি
বিশ্ব
খেলা
বিনোদন
শিক্ষা
বাণিজ্য
স্বাস্থ্য
ভিডিও

বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল খবর, ব্রেকিং নিউজ, লাইভ নিউজ...

সম্পাদক ও প্রকাশক: আবু মনি জুবায়েদ রিপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আবু মনি সাকলায়েন এলিন

কৃষি কণ্ঠ মিডিয়া লিমিটেড...

ফোন: +8801712215219

ই-মেইল: krishikhantho@gmail.com

কৃষি কণ্ঠগোপনীয়তা নীতিশর্তাবলিমহড়া প্রকাশের নীতিবাংলা কনভার্টারবিজ্ঞাপনযোগাযোগছুটির তালিকাদিবস
অ্যাপ ডাউনলোডআইফোন

© কৃষি কণ্ঠ ২০২8 | Developed By: Rasel

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

/ জাতীয়
Abu Mani Saklain
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১:৪৪:৫১ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

কুষ্টিয়ায় ৪ দিনে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা

কুষ্টিয়ায় ৪ দিনে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নবাগত আরএমও ডাঃ হোসেন ইমামের কম্বল বিতরণ

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নবাগত আরএমও ডাঃ হোসেন ইমামের কম্বল বিতরণ

সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারের অবস্থা টালমাটাল

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারের অবস্থা টালমাটাল

শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক হবে মানুষকেন্দ্রিক

বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক হবে মানুষকেন্দ্রিক

ভারতীয়দের জন্য ভিসা সীমিত করলো বাংলাদেশ

ভারতীয়দের জন্য ভিসা সীমিত করলো বাংলাদেশ

নির্বাচন কমিশনের অনেক ক্ষমতা

নির্বাচন কমিশনের অনেক ক্ষমতা

সংস্কারের আগে দুদক গঠন নিয়ে প্রশ্ন

সংস্কারের আগে দুদক গঠন নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশে বিভাজন নেই, বিভাজন তৈরি করছে দিল্লি: রিজভী

বাংলাদেশে বিভাজন নেই, বিভাজন তৈরি করছে দিল্লি: রিজভী

‘নদী মুক্তির’ বাজেটে আকাশপাতাল তফাত

‘নদী মুক্তির’ বাজেটে আকাশপাতাল তফাত

নাব্য বৃদ্ধি ও দখল-দূষণমুক্ত করে নদীপথকে সচলের উদ্য়োগ নিয়েছে সরকার। সারা দেশের প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি ছোট-বড় নদীকে দখল-দূষণমুক্ত করা হবে। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে স্বরূপে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে করা হবে খনন। জেলায় জেলায় দখল-দূষণমুক্ত করে নদী খনন ও পাড় বাঁধাইয়ের খসড়া তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকায় প্রস্তাবিত নদীর দৈর্ঘ্য সব মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার কিলোমিটারের বেশি। আর এই কাজের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা।

মনোনীত নদীগুলোর দৈর্ঘ্যে ভিন্নতা থাকলেও জেলা পর্যায়ের থেকে প্রাক্কলিত খসড়া বাজেটে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। কোনো কোনো জেলার প্রাক্কলনে উদ্দেশ্য-বিধেয় সম্পর্কে অস্পষ্ট ধারণার কারণে বাজেটে এরকম তারতম্য ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের সব জেলা থেকে নদী দূষণ ও দখলমুক্ত করার তালিকা এবং প্রস্তাবিত অর্থের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। ব্য়তিক্রম শুধু রাঙামাটি। সেখানে নেই কোনো দূষিত নদী, নেই কোনো দখলের ঘটনা। সেজন্য এই জেলা থেকে কোনো তালিকাও প্রেরণ করা হয়নি। তবে ৬৩ জেলার ৬৭টি নদনদী এবং দুটি খালের নাম রয়েছে খসড়ায়।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নদী দখল-দূষণমুক্ত ও খননের উদ্যোগ নেয়। দেশের কোন জেলায় কোন নদীকে তালিকায় রাখা হবে, তা নিয়ে কাজ শুরু করে নদী রক্ষা কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা থেকে নদীর নাম, বর্তমান অবস্থা, অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আর্থিক চাহিদা পাঠানো হয়। এর ওপর ভিত্তি করে খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন চলছে যাচাই-বাছাই। তবে অর্থ বরাদ্দসহ সরকারের নীতিগত অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে এই উদ্যোগের ভবিষ্যৎ।

এ বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পরিবীক্ষণ ও বাস্তবায়ন-১) মো. রিয়াজুল কবীর বলেন, উদ্যোগটি নিয়ে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে জেলায় জেলায় নদী চূড়ান্তকরণের জন্য যাচাই-বাছাই চলমান রয়েছে। সঙ্গে চলছে ব্যয় প্রাক্কলনের প্রক্রিয়া।

খসড়া তালিকায় দেখা যায়, সর্বোচ্চ খুলনা বিভাগে অন্তত ১ হাজার ২০ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম বিভাগে অন্তত ৯০০, রাজশাহী বিভাগে ৬৫০, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০০, সিলেট বিভাগে ৫০০, ঢাকা বিভাগে অন্তত ৫০০, রংপুরে বিভাগে ৪৫০ ও বরিশাল বিভাগে ১৮০ কিলোমিটার নদী দূষণ ও দখলমুক্ত করে খনন করা হতে পারে।

সূত্র জানায়, কিছু কিছু জেলা থেকে পাঠানো বাজেট আগের মতো আকাশচুম্বী। আবার কিছু কিছু জেলা হয়তো উদ্যোগের উদ্দেশ্য-বিধেয় না বুঝেই বাজেট প্রণয়ন করেছে। ফলে কিছু কিছু জেলায় নতুন করে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। অতিরিক্ত বাজেটের বিষয়টিও সংশোধন করা হবে। খসড়া থেকে দেখা যাচ্ছে, নীলফামারী থেকে সর্বনিম্ন দেড় লাখ টাকা, দিনাজপুর থেকে ২ লাখ, মানিকগঞ্জ থেকে ৩ লাখ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, খাগড়াছড়ি ও খুলনার জন্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, জামালপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ২৩০ কিমির জন্য সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৪১ কোটি টাকা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাটোরের ৪৯ কিমি নারদ নদ ও মুসাখালী নদীর জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ১৭৩ কোটি টাকা।

খসড়া থেকে আরও জানা যায়, ঢাকায় জয়পাড়া, নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা, মুন্সীগঞ্জের রজতরেখা, গাজীপুরের লাবুন্ধা, নরসিংদীর হাড়িধোয়া, মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা, টাঙ্গাইলের ফটিকজানী (ফুটজানী), কিশোরগঞ্জের নরসুন্ধা, শরীয়তপুরের জয়ন্তী, মাদারীপুরের কুমার (লোয়ার), ফরিদপুরের কুমার নদ, রাজবাড়ীর চত্রা, গোপালগঞ্জের মাদারীপুর বিলরুট নদী রয়েছে এই তালিকায়।

চট্টগ্রামের হালদা, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরে ডাকাতিয়া, কক্সবাজার বাঁকখালী, নোয়াখালীর ছোট ফেনী, কুমিল্লার গোমতী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস, বান্দরবানের ম্যাকছি, খাগড়াছড়ির চেঙ্গী, ফেনীর মহাদিয়া খালকে দূষণ, দখল ও খননের জন্য প্রাধান্য দিয়ে তালিকার রাখা হয়েছে।

বরিশালের কীর্তনখোলা, নিজ জেলার নামে নদী পটুয়াখালীতে, ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি, বরগুনার পায়রা (বুড়িশ্বর), পিরোজপুরের বেলুয়া, ভোলার জাঙ্গালিয়া। খুলনার সালতা, যশোরে আপারভদ্রা, বাগেরহাটে মরাচিত্রা, সাতক্ষীরায় বেতনা, নড়াইলে চিত্রা, কুষ্টিয়ার কালীগঙ্গা, মাগুরার নবগঙ্গা, চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা, মেহেরপুরের ভৈরব ও ঝিনাইদহে চিত্রা নদী রয়েছে এই খসড়া তালিকায়।

রাজশাহীর বড়াল, বগুড়ার করতোয়া, জয়পুরহাটের চিড়ি, নওগাঁর ছোট যমুনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা, পাবনার আত্রাই, নাটোরের নারদ নদ, মুসাখালী নদী এবং সিরাজগঞ্জের ফুলজোড়া, রংপুরে আলাইকুড়ী, গাইবান্ধার আলাই, কুড়িগ্রামে গিরাই, লালমনিরহাটের সতি, নীলফামারীর চেকারডারা (হরিডারা), ঠাকুরগাঁওয়ের শুক, পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীকে প্রাথমিক তালিকায় রাখা হয়েছে।

সিলেটের সুরমা, মৌলভীবাজারের মনু, হবিগঞ্জের সুতাং, সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর নাম খসড়ায় রয়েছে। ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র, সুতিয়া, খিরু ও বানার নদী, নেত্রকোনায় মাগড়া, জামালপুরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, শেরপুরের মহারশি নদীকে প্রাথমিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে যাচাই-বাছাই ও ব্যয় প্রাক্কলন চলছে।

নদী দূষণ ও দখলমুক্ত করা অত্যন্ত জটিল এবং আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় সব দপ্তরের সমন্বয়ে কাজটি করা হবে বলে জানা গেছে। এ লক্ষ্য়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌ মন্ত্রণালয়, নদী রক্ষা কমিশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়কে এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সূত্র জানায়, সারা দেশের সব নদনদীর দূষণ ও দখলমুক্ত একসঙ্গে সম্ভব নয়। প্রতিটি জেলা থেকে একটি নদনদী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খসড়া তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। মূলত এ কাজটির মাধ্যমে নদী দখল-দূষণমুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরুর পরিকল্পনা করছে সরকার। আটটি বিভাগীয় কমিশনারদের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী সারা দেশে নদনদীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৮০টি। তবে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের কাজ এখনো চলমান। খুব শিগগির প্রকাশিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পানিসম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রতি জেলায় একটি করে নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে। আমরা দেখেছি, নদী দূষণমুক্ত করা এত সহজ নয়। এর পরও সবার সহযোগিতায় তা সম্ভব। আগামী প্রজন্মের জন্য় কাজটি খুবই জরুরি।

  • সর্বশেষ নিউজ
  • জনপ্রিয় নিউজ

১ নিঃসন্দেহে মৃত্যুর পরও জীবন আছে, দাবি মার্কিন গবেষকের

২ ঈশ্বরদীতে গ্রীষ্মকালীন পেয়াঁজের বাম্পার ফলনে ব্যাপক উৎসাহ কৃষকের

৩ বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়ায় দৈনিক ইন্টারন্যাশনাল পত্রিকার ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

৪ যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

৫ শ্রীপুরে মাদকসেবীকে ২৮ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

৬ ঝিনাইদহে নারীদের মাঝে বিনামূল্যে বাছুর বিতরণ

৭ ভাষাসৈনিক গোলাম কাওসার আর নেই

৮ মেহেরপুরে সারের কৃত্রিম সংকট, লাইনে দাঁড়িয়েও সার পাচ্ছেন না কৃষক

৯ আজও চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ, সুসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস

১০ পৌরসভার ল্যাম্পপোস্ট তুলে বাড়িতে নিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা