









কৃষক ক্রেতা সার কিনেছেন এক বস্তা। কিন্তু সার ডিলারের ভাউচারে (ক্যাশ মেমো) দেখানো হয়েছে ৪০ বস্তা ডিএপি সার। একই ভাউচারে রয়েছে এমওপি (পটাশ) ২০ বস্তা, টিএসপি (ফসপেট) ৮ বস্তা করে। কিন্তু বিক্রেতার সঙ্গে সার ক্রেতার দেওয়ার তথ্যের গরমিল পেয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা তাসনিম বলেন, মেসার্স জারমান আলী ট্রেডার্স বিএনডিসির সার ডিলার। দোকানগুলোতে গিয়ে তাদের ক্যাশ মেমোতে থাকা নম্বরগুলোতে কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ক্রেতা বলছেন ১ বস্তা ডিএপি সার কিনেছেন। কিন্তু বিক্রেতা বলছেন ৪০ বস্তা সার কিনেছেন ক্রেতা। এসময় দাম ও সার বিক্রির তথ্যে গরমিল পাওয়া দুই প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।