









সাত মাস পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট ফিরে কাল ১৩ রানে আউট হয়েছিলেন তামিম ইকবাল। সিলেটে জাতীয় ক্রিকেট লিগের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে রংপুরের বিপক্ষে চট্টগ্রামের হয়ে ১০ বলে এই রান করেছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। সেই তামিম দ্বিতীয় ম্যাচে নিজের জাত চেনালেন। রংপুরের বিপক্ষে আজ ৩৩ বলে ৬৫ রান করেছেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ওপেনার।
৮ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসে তামিমের স্ট্রাইক রেট ১৯৬.৯৭। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ২৬৫ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ৫০ ছাড়ানো ইনিংসে তামিমের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট এটি। ২০ ওভারের ক্রিকেটে তামিমের সেঞ্চুরি ৪টি, ফিফটি ৫০টি।
৫০ ছাড়ানো ৫৪টি ইনিংসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেটের দুটি ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছেন তামিম। সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটি ২০১৯ সালে বিপিএলে ফাইনালে খেলেছেন এই বাঁহাতি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ৬১ বলে ১৪১ রানের ইনিংসে তামিমের স্ট্রাইক রেট ছিল ২৩১.১৪। শুধু ৫০ ছাড়ানো ইনিংসেই নয়, টি-টোয়েন্টিতে ২৬৪ ইনিংসেই তামিমের এটি সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট।
টি-টোয়েন্টিতে তামিম প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ২০১৩ সালে বিজয় দিবস ক্রিকেটে। ইউসিবি-বিসিবি একাদশের বিপক্ষে ৬৪ বলে ১৩০ রানের ইনিংসে তামিমের স্ট্রাইক রেট ছিল ২০৩.১২।
এই দুই সেঞ্চুরির বাইরে আরেকটি ইনিংসেই ২০০ ছাড়িয়েছে তামিমের স্ট্রাইক রেট। সেটি ২০২১ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ২২ বলে ৪৬ রান করেছিলেন তামিম।