Logo
আজকের পত্রিকাম্যাগাজিনসোশ্যাল মিডিয়া
হোম
সর্বশেষ
জাতীয়
সারাদেশ
কৃষি
বিশ্ব
খেলা
বিনোদন
শিক্ষা
বাণিজ্য
স্বাস্থ্য
ভিডিও

বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল খবর, ব্রেকিং নিউজ, লাইভ নিউজ...

সম্পাদক ও প্রকাশক: আবু মনি জুবায়েদ রিপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আবু মনি সাকলায়েন এলিন

কৃষি কণ্ঠ মিডিয়া লিমিটেড...

ফোন: +8801712215219

ই-মেইল: krishikhantho@gmail.com

কৃষি কণ্ঠগোপনীয়তা নীতিশর্তাবলিমহড়া প্রকাশের নীতিবাংলা কনভার্টারবিজ্ঞাপনযোগাযোগছুটির তালিকাদিবস
অ্যাপ ডাউনলোডআইফোন

© কৃষি কণ্ঠ ২০২8 | Developed By: Rasel

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

/ জাতীয়, খেলাধুলা
Abu Mani Saklain
প্রকাশ : ১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৪৫:২১ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

অনলাইন জুয়ার শতাধিক সাইট বন্ধে বিটিআরসিতে তালিকা দিয়েছে সিআইডি

অনলাইন জুয়ার শতাধিক সাইট বন্ধে বিটিআরসিতে তালিকা দিয়েছে সিআইডি

কুষ্টিয়ায় ৪ দিনে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা

কুষ্টিয়ায় ৪ দিনে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা

‘নদী মুক্তির’ বাজেটে আকাশপাতাল তফাত

‘নদী মুক্তির’ বাজেটে আকাশপাতাল তফাত

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নবাগত আরএমও ডাঃ হোসেন ইমামের কম্বল বিতরণ

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের নবাগত আরএমও ডাঃ হোসেন ইমামের কম্বল বিতরণ

সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারের অবস্থা টালমাটাল

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারের অবস্থা টালমাটাল

শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজনে সৌদি আরবের প্রতিদ্বন্দ্বী নেই কেন

২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজনে সৌদি আরবের প্রতিদ্বন্দ্বী নেই কেন

৩৩ বলে ৬৫, এমন ইনিংস এর আগে কবে খেলেছেন তামিম

৩৩ বলে ৬৫, এমন ইনিংস এর আগে কবে খেলেছেন তামিম

বাজে ফর্মের কারণে অধিনায়কত্বও বাজে হচ্ছে রোহিতের

বাজে ফর্মের কারণে অধিনায়কত্বও বাজে হচ্ছে রোহিতের

‘রঙিন’ জীবনের করুণ সমাপ্তি

‘রঙিন’ জীবনের করুণ সমাপ্তি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে প্রায় দেড় হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন। 

প্রায় প্রতিটি মানুষেরই তরুণ বয়সে থাকে জৌলুস। থাকে শখ-আহ্লাদসহ বড় কিছু করার প্রবল ইচ্ছা। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগের সেই জৌলুস হারাতে থাকে। একটা সময়ে হতাশায় গ্রাস করে, খেই হারিয়ে ফেলে মানুষ।

একই ধরনের চিত্র রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লির। একটা সময় এখানকার যে কর্মী খদ্দের টানতে সারিবদ্ধ লাইনে কিংবা নিজ ঘরের সামনে আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে মেলে ধরেছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে।

ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত মেলামেশায় সন্তান গর্ভধারণ করেন অনেকেই। মেলে না খদ্দের, অর্থ উপার্জন বন্ধ হওয়ায় কাজ নেন বিভিন্ন দোকান বা খাবার হোটেলে। দুই মুঠো ভাত জোগাতে কিংবা ওষুধ কিনতে ঋণ করতে বাধ্য হন অনেকে। ঋণ পরিশোধে নিজ সন্তানকে বিক্রির ঘটনাও রয়েছে পল্লিতে। দু-একটি সফলতার গল্প থাকলে প্রায় শতভাগ কর্মীকে শেষ বয়সে বেছে নিতে হয় ভিক্ষাবৃত্তি। সেখানেও রয়েছে নানাজনের কটূকথা। সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় ‘রঙিন’ জীবনের শেষ পরিণত হয় খুবই মর্মান্তিক।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় কথা হয় রাজিয়ার (ছদ্মনাম) সঙ্গে। বয়স তার পঞ্চাশ পেরিয়েছে। এক সময়ে দুই হাতে টাকা-পয়সা রোজগার করেছেন যৌনপল্লি থেকে। একটা সময় অসুস্থতার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে তার। খদ্দের না থাকায় জমানো টাকায় চলেছে খাবার-দাবার। একটা সময় মোটা তাজাকরণ ওষুধ খেয়ে নিজেকে আর্কষণীয় রেখেছেন, কিছুদিন খদ্দেরও পেয়েছেন। তবে তা স্থায়ী হয়নি। এখন তার মূল পেশা ভিক্ষাবৃত্তি।

রাজিয়া বলেন, ‘একটা সময় পেছনের দিকে তাকাইনি, ভবিষ্যতের চিন্তাও করিনি। টাকা আয় করেছি, খেয়েছি। বাবুকে (প্রেমিক) চালিয়েছি সেই টাকায়। এখন টাকা নেই, কোনো বাবুও আমার নেই। খদ্দের না পাওয়ায় কোনো আয়ও নেই। কিন্তু পেট তো থেমে থাকেনি, তাকে খাবার দিতেই হবে। নিজেও বিড়ি-সিগারেট খাই, এসবের টাকা কই পাবো? তাই ইচ্ছা না থাকলেও বাধ্য হয়েছি ভিক্ষা করতে। এখন ঘাট এলাকায় ঘুরি, যা আয় হয় দিন চলে যায়। পরের দিনের জন্য আবার বেরিয়ে পড়ি।’একই অবস্থা ফিরোজা বেগমের (ছদ্মনাম)। এক সময় দাপটের সঙ্গে চলেছেন পল্লিতে, খদ্দেরের অভাব হয়নি তার। শেষ বয়সে তিনিও ভিক্ষাকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। ফিরোজা বলেন, ‘আমাদের জীবনটাই এমন। একটা সময় রঙিন হয়তো, শেষ সময় ভিক্ষার ঝুলি। আমার সমবয়সী যারা ছিল তাদের সবার আমার মতো অবস্থা হয়েছে।’ কেন এই অবস্থা? সঞ্চয়ের টাকা কী করলেন? জবাবে ফিরোজা বলেন, ‘আমার দুই মেয়েকে বড় করেছি। তারা কিছুটা (প্রাইমারি পর্যন্ত) লেখাপড়া করেছে। এরপর তারাও পেশায় ফিরেছে। তাদের টাকায় আমি চলেছি, ভর নিয়েছি। পরে তারা বাবু জোগাড় করেছে, টাকা আমাকে না দিয়ে সব টাকা দেয় বাবুকে। একটা মেয়েকে নিঃস্ব করে বাবুরা টাকা নিয়ে যান, ভালোবাসে স্বার্থের জন্য।’

যৌনপল্লির ৩৭ বছর বয়সী এক নারীর এইচআইভি পজিটিভ ধরা পড়েছে। এরপর বেসরকারি সংস্থা ‘পায়াক্ট বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই নারীর চিকিৎসার সব খরচ বহন করা হচ্ছিল। কিন্তু বার বার ঢাকায় গিয়ে ওই নারী আর চিকিৎসা করাতে চান না। এ নিয়ে সচেতন করা হলেও সামাজিক সংগঠনগুলোর কথা শুনছেন না তিনি। আড়ালে থেকে খদ্দেরের সঙ্গে মেলামেশা করছেন।

অসহায় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার সভানেত্রী ফরিদা পারভীন বলেন, ‘আমরা তাকে বার বার বোঝাচ্ছি। তার কাছে যাচ্ছি, যতটুকু পারা যায় সহায়তা দিচ্ছি। কিন্তু আমাদের এখানেও কোনো সহায়তা সেভাবে পাচ্ছি না। পাশাপাশি পল্লির মেয়েদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।’

দৌলতদিয়া যৌনপল্লির বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, পল্লির কেউ মারা গেলে তার জানাজা দেরিতে হয়। জানাজা পড়াতে স্থানীয় ইমাম নানা অজুহাতে দেরিতে আসছেন বা আসতে চান না। পরে প্রশাসন ও বেসরকারি নানা সংস্থার চাপে তারা আসতে বাধ্য হন। দাফন কাজে মূলত অংশ নেয় শিশু-কিশোররা। মরদেহ গোসল থেকে কবর খনন, সবই করতে হয় তাদের। আসেন না বাইরের কোনো মানুষ। এ থেকে তাদের পরিত্রাণ দেওয়ার দাবি জানান পল্লির বাসিন্দারা।

যৌনকর্মী, স্থানীয় বাড়ির মালিক ও এনজিও সূত্র বলছে, দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বর্তমানে প্রায় দেড় হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন। আর অবসরপ্রাপ্ত যৌনকর্মী প্রায় ২০০ জন। মায়ের হাত ধরে এ পেশায় রয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন। পল্লিতে ১৮ বছর বয়সের নিচে বা শিশু যৌনকর্মী রয়েছে ২০ জনের মতো। পল্লি এলাকায় বাড়ি রয়েছে ২৮০টি, আর শিশু সন্তান রয়েছে ৬০০’র মতো।

দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপদ বাসস্থান নিয়ে কাজ করছে সামাজিক সংগঠন পায়াক্ট বংলাদেশ, কর্মজীবী কল্যাণ সংস্থা, গণস্বাস্থ্য, শাপলা, মুক্তি মহিলা সমিতি, অসহায় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা, অসহায় নারী ঐক্য সংগঠন ও হাব বাংলাদেশ। তারা পল্লির নারী ও শিশুদের মাঝেমধ্যে আর্থিক ও ত্রাণ সহায়তা দিলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই কম। সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা পেলেই নারীদের শেষ বয়সটা ভালো কাটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মীরা। যৌনপল্লির সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পল্লিতে বসবারত মেয়েদের প্রায় ৯০ শতাংশই কোনো না কোনো মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা আয় করলেও এর একটা অংশ মাদকের পেছনে চলে যাচ্ছে। বাকি টাকা নিয়ে নিচ্ছেন তাদের বাবুরা। ইচ্ছাকৃতভাবে হোক বা অনিচ্ছাকৃত হোক গর্ভে সন্তান চলে এলে উভয় সংকটে পড়েন মেয়েরা। গর্ভধারণের তিন মাস পর থেকেই খদ্দের আসা বন্ধ হয়ে যায়। তখন খাবার, ওষুধ ও ঘরভাড়ার খরচ মেটাতে চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। এরপরই শুরু হয় ঋণ করে চলা। খাবারের হোটেল, মুদি ও ওষুধের দোকান এবং ঘরভাড়া বকেয়া থাকে। একপর্যায়ে অস্ত্রোপচার করে বা স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসবের টাকাও থাকে না। এ অবস্থায় সন্তান বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন পল্লির নারীরা। এখানেও রয়েছে সিন্ডিকেট। প্রসূতিকে ঋণের ফাঁদে ফেলতে সক্রিয় থাকেন দালালরা। পল্লিতে বিনা মূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও দালালরা তাদের বাইরে চিকিৎসা নিতে উৎসাহ দেন। বড় কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন পড়লে পাশেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে না নিয়ে নেওয়া হয় মাগুরার বেসরকারি হাসপাতালগুলোয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে পল্লির পাশে গড়ে ওঠা ওষুধের দোকানগুলো। এ নিয়ে ওষুধ দোকানিদের সঙ্গে কথা বলা হলেও বিষয়টি তারা অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে পল্লির এক কর্মী বলেন, ‘নিজের টাকা অন্যের (বাবু) হাতে চলে গেলে কীভাবে একটা মেয়ে চলবে? তার কাস্টমার নেই, কোনো আয় নেই, সহায়তাও নেই। এ অবস্থায় সন্তানের মায়া ত্যাগ করে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন অনেকে।’

দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিনা মূল্যে সেবা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ‘সুখপাখি সেন্টার’র স্বাস্থ্যকর্মী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা পল্লির প্রতিটি মেয়েকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেই। এখানে কোনো মেয়ে এলে তার রক্ত পরীক্ষা, রক্তচাপ নির্ণয়সহ প্রাথমিক পরীক্ষা করে ওষুধ দেই। তবে বাইরের মানুষেরা পল্লির মেয়েদের ভুল ধারণা দেন। বাইরে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে। এতে ছোটখাটো রোগ ভালো হচ্ছে। তবে এতে যে ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে এটা তারা বুঝতে চায় না। মেয়েদের আয়ের একটা বড় অংশ অনেক সময় চিকিৎসার পেছনে চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে দালালের খপ্পরে পড়ে অপচিকিৎসা পাচ্ছে তারা। সচেতন করেও কাজ হচ্ছে না এখানে।’

পল্লিতে আর্থিক সুবিধা প্রদান ও সচেতনতামূলক কাজ করছে অসহায় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা। এটি যৌনকর্মীদের নিজস্ব সংস্থা। এর সভানেত্রী ফরিদা পারভীন বলেন, ‘ছোট থেকেই মেয়েদের পড়াশোনার পাশাপাশি নানা ধরনের কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি এটা করার। আমরা চাই না আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এ পেশায় থাকুক। কিন্তু অর্থের অভাবে এটা হয়ে উঠছে না। কিছু সংস্থার মাধ্যমে সহযোগিতা পেলেও তা খুবই সামান্য। আবার সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে এখানকার নারীদের খাবার ও টাকার ব্যবস্থা করতে হবে। এটা না করলে কাজ ফেলে তারা আসতে চান না। তবে এসবের জন্য অর্থের প্রয়োজন, যেটা আমাদের নেই।’

  • সর্বশেষ নিউজ
  • জনপ্রিয় নিউজ

১ কুমারখালী উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের কমিটি গঠন

২ ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

৩ অনলাইন জুয়ার শতাধিক সাইট বন্ধে বিটিআরসিতে তালিকা দিয়েছে সিআইডি

৪ নিঃসন্দেহে মৃত্যুর পরও জীবন আছে, দাবি মার্কিন গবেষকের

৫ ঈশ্বরদীতে গ্রীষ্মকালীন পেয়াঁজের বাম্পার ফলনে ব্যাপক উৎসাহ কৃষকের

৬ বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়ায় দৈনিক ইন্টারন্যাশনাল পত্রিকার ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

৭ যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

৮ শ্রীপুরে মাদকসেবীকে ২৮ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

৯ ঝিনাইদহে নারীদের মাঝে বিনামূল্যে বাছুর বিতরণ

১০ ভাষাসৈনিক গোলাম কাওসার আর নেই